• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৫ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

খানসামায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বনভোজন

Khansama news (picnic) 04.03.14খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার একমাত্র বিনোদন কেন্দ্র আনন্দ ভুবনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বনভোবন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে উপজেলার এ গ্রেড শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কুমড়িয়া-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চলতি বছর খরা মৌসুমে উপজেলার একমাত্র বিনোদন কেন্দ্র আনন্দ ভুবনে প্রথম বনভোজন শুরু হয়। বাংলা সনের শেষ ঋতু বন্তকালে গাছে গাছে ফুল আর সবুজ ফসল ঘেরা পরিবেশে পাখির কলকালির সাথে শিশুদের হৈ হুল্লর, মাতামাতি খেলা এবং গান বাজনায় দিনভর পালিত হয় পিকনিক ও আনন্দ উৎসব।
এ উৎসবমুখর আনন্দে শিশুদের সাথে মুহূর্তের জন্য সত্যিই হারিয়ে যান বনভোজনে অংশ নেয়া শিক্ষক, অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটি ও অতিথিসহ সকলে। আর এই হারিয়ে যাওয়ার মুহূর্তটি ভাগাভাগি করে নিতে শিশুদের সাথে অংশ নেন আনন্দ ভুবনের প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষানুরাগী অধ্যক্ষ শাহ্ মোহাম্মদ আবু হাসান টুটুল, কাচিনীয়া ক্লাস্টার অফিসার এটিও আব্দুস সামাদ, ভাবকী ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, ইউপি সদস্য আশরাফ আলী, এসএমসি’র সভাপতি রেজাউল ইসলাম, সহ-সভাপতি আফতাব উদ্দিন, সদস্য নুর ইসলাম, বিদ্যোৎসাহী সদস্য লায়লা পারভীন, অভিভাবক সদস্য মিনা আক্তার, শিক্ষক প্রতিনিধি জয়শ্রী অধিকারী, সদস্য প্রতীমা রানী, জেবুন নাহার, গ্রাম উন্নয়ন কমিটির সভাপতি আকিবুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক জহুরুল হক, সহ-শিক্ষক নেয়ামুল ইসলাম, হামিদুল ইসলাম, পুষ্পজিৎ রায় ও পংকজ কান্তিসহ ৩৫০জন শিক্ষার্থী।
বিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত বার্ষিক এ পিকনিকে অংশ নিয়ে দুপুরের খাওয়া শেষে বিকেলে আনন্দ কুপনে ভাগ্য যাচাই করে। পরে বসন্তে ফোটা ফুলের ঘ্রাণ আর পাক-পাখালির গান নিয়ে দিন শেষে অফুরন্ত আনন্দের রেশ ধরে এক রাশ উল্লাসে সকলে বাড়ি ফেরেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ